বাংলা জাগরণ ডেস্ক রিপোর্ট: অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ২ বছর ধরে হাজারের অধিক প্রশিক্ষণ উত্তীর্ণরা "বেসিক কম্পিউটার এন্ড অফিস এপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং সেলাই প্রশিক্ষণ" পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সনদপত্র প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত! এই কারনে প্রশিক্ষণ উত্তীর্ণ
সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী কর্মক্ষেত্রে ও চাকুরীর আবেদনে বঞ্চনার শিকার হলেও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামীমা খন্দকার নির্বিকার। প্রশিক্ষণ উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীরা ২ বছর ধরে সনদপত্রের জন্য বারবার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেও অদৃশ্য কারনে সার্টিফিকেট প্রদানে অনাগ্রহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামীমা খন্দকার!
দীর্ঘদিন ধরে সার্টিফিকেট না পেয়ে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষণ উত্তীর্ণদের কয়েকজন গত ১৬/১১/২০২৫ খ্রি. মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত আবেদন দায়ের করলেও প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণদের সার্টিফিকেট প্রদানে নির্লিপ্ত মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামিমা খন্দকার।
অভিযোগ রয়েছে যে, পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনক কারনে গত ৬ মাস থেকে জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে থাকা (১)বেসিক কম্পিউটার এন্ড অফিস এপ্লিকেশন, (২)ফ্রিল্যান্সিং এন্ড গ্রাফিক্স ডিজাইন, (৩)সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্স বন্ধ থাকায় প্রশিক্ষণ বঞ্চিত হচ্ছে শত - শত ছাত্র - ছাত্রী।
বেসিক কম্পিউটার এন্ড অফিস এপ্লিকেশন ২১১ ব্যাচের উত্তীর্ণ ছাত্র উত্তম দেবনাথ বলেন "চাকুরীর জন্য সার্টিফিকেট - টা খুবই দরকার। জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ প্রায় ২-বছর ধরে আমাদের সবার সার্টিফিকেট দিচ্ছে না! জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী ও কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণের কোর্স পরিচালক শাম্মী আক্তার খানম বলেছেন, সার্টিফিকেট দিতে প্রচুর দেরি হবে! তুমরা অপেক্ষা করো, আমাকে বিরক্ত করবে না"।
ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে উত্তীর্ণ আয়েশা ভূঁইয়া স্নেহা বলেন, ২ বছর ধরে কোর্স পরিচালক শাম্মী আক্তার খানম বলে আসছেন "পাইবায়-নে, এগুলোর কাজ চলের"। এভাবেই আমাদের কে ২ বছর ধরে সার্টিফিকেট বঞ্চিত করা হয়েছে"।
সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্সের উত্তীর্ণ ছাত্রী নাজিয়া আক্তার মিলা জানান, দরিদ্র প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত সেলাই মেশিন পাওয়ার জন্য আবেদন করেও কোন জবাব পাইনি! সার্টিফিকেট না পাওয়ায় চাকুরীর আবেদন করতে সমস্যা হচ্ছে।
এই প্রতিবেদক তথ্য জানতে সরেজমিনে গিয়ে সার্টিফিকেট বঞ্চিতদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শামিমা খন্দকারের বক্তব্য জানতে সরেজমিনে গিয়ে না পেয়ে উনাকে মুঠোফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দিলে শামিমা ফোন না ধরায় ৩ দিনেও তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন "এই মাত্র জানলাম। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে"।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ হুমায়ূন রহমান বাপ্পী। সম্পাদকঃ মুঠোফোন নং : ০১৭১১ ০১৯ ১৭৮, ০১৭১৭ ৫৩ ২২ ৫৩, ০১৮১৩ ৭২৫৫১৮, বার্তাঃ মুঠোফোন নং- ০১৭১১-৩১১৯৬৮, humayun_bappy@hotmail.com, any query News Room, humayunrahmanbappy@gmail.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।